ফোনের ওপাশ থেকে অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতাই শোনালেন সুলিভান ব্রাদার্সের নানি সুলতানা আলম। গতকাল রাতের আগপর্যন্ত দুই নাতি ডেকলান সুলিভান ও রোনান সুলিভানের সঙ্গে দেখাই করতে পারেননি। শিকড় যে তাঁকে দিয়েই বোনা। আজকের পত্রিকাকে সুলতানা বলেন, ‘আসলে বাংলাদেশিরা কোনো উপলক্ষ পেলে সেটা উদ্যাপনে কোনো রকমের কমতি রাখে না। আমি সকালে হোটেলে গিয়েও তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারিনি।’
অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা নিয়ে পরশু রাতেই ফিরেছে বাংলাদেশ দল। আগ্রহের কেন্দ্রে একটু আলাদাভাবেই আছেন সুলিভান ব্রাদার্স। বিশেষ করে রোনান। গল্পের শুরু ও শেষটা তাঁকে দিয়েই। টাইব্রেকারে তাঁর নেওয়া পানেনকা শটেই ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপাবঞ্চিত করে বাংলাদেশ। স্ট্রাইকারের ঘাটতি পূরণে আশা জোগাচ্ছেন তিনি। গত বছরের নভেম্বরে জাতীয় দলের হয়ে নেপালের বিপক্ষে পানেনকা শটে গোল করেছিলেন হামজা চৌধুরী। তাঁকে দেখেই চাপের মুহূর্তে পানেনকা শট নেওয়ার চিন্তা করেন রোনান। সেই দৃশ্যটির কথা বলতে গিয়ে সুলতানা বলেন, ‘তখন গর্বে আমার বুক ফুলে উঠেছিল। তারা দুই ভাই বাংলাদেশের হয়ে খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এটা অনেক আনন্দের ব্যাপার।’
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সুলিভান ব্রাদার্সের পর আরও প্রবাসী ফুটবলারের খোঁজে রয়েছে বাফুফে। এ বছরই দেখা যাবে অন্তত ছয় ফুটবলারকে। বাফুফে সহসভাপতি ফাহাদ করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বছর ছয়জন ফুটবলার যোগ হবে। এর মধ্যে একজন মেয়ে ফুটবলারও আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে দুই বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা হচ্ছে।’ হামজা-শমিতসহ গত বছর জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছে পাঁচ প্রবাসী ফুটবলারের। জামাল ভূঁইয়া ও তারিক কাজী তো আছেনই। তা সত্ত্বেও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের বাধা পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ। সেপ্টেম্বরে সাফ হওয়ার কথা রয়েছে।