জাতীয় শিশু সংগঠন ‘কচি কণ্ঠের আসর’ তার গৌরবময় ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে“শিশু-কিশোরদের চোখে আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
রোববার (২৪ আগস্ট) বিকালে ঢাকা ক্লাব অডিটোরিয়াম, শাহবাগে এ সম্পর্কিত নানা তথ্য তুলে ধরা হয়। বলা হয়, সুবর্ণ জয়ন্তীর মহোৎসব অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।
সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে শিশু-কিশোরদের ভাবনাকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সৃজনশীল চর্চা, নেতৃত্ব, সমাজ ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার মতো বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে দুই বিভাগে ৮ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশু কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া “আমি প্রধানমন্ত্রী হলে শিশুদের জন্য কী করবো”বিষয়ক ভিডিও বার্তা মোবাইলে ধারণ করে নির্দিষ্ট লিংক এ জমা দেয়ার প্রতিযোগিতা থাকবে। হবে ‘অনলাইন পরিবেশ প্রতিযোগিতা – সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিযোগিতা। যেখানে বৃক্ষরোপণ, আমার বাগান ভিডিও/ছবি পাঠানো অথবা রিসাইকেল পণ্য তৈরির প্রক্রিয়ার ধারণকৃত ভিডিও নির্দিষ্ট লিংক এ জমা দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। বিজয়ীদের জন্য বিদেশে শিক্ষা সফর এবং বৃত্তি প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘শিশুরা হলো জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি। তাদের কল্পনা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্নই আগামী দিনের পৃথিবী নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমরা বিশ্বজুড়ে শিশুদের মানবিক বিপর্যয়ের শিকার হতে দেখছি। গাজা ও ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে অসংখ্য শিশুর জীবন, শিক্ষা ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি কেবল ওই অঞ্চলের জন্য নয়, গোটা মানবজাতির জন্যই গভীর উদ্বেগের বিষয়। শিশুদের হাসি ও স্বপ্নকে রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।‘
আগামীতে কচি কন্ঠ স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে কাজ করবে। যেখানে শিশুদের জন্য ৫০ শয্যার হাসপাতাল থাকবে। এছাড়া শিশুর নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিতে এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাবে সংগঠনটি।
আমরা চাই, আগামীর বাংলাদেশ হবে শিশুর জন্য এক নিরাপদ আবাস। আমাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং কচি কণ্ঠ’র উদ্যোগে সামিল হতে আপনার গণমাধ্যমে আমাদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরার জন্য বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।