নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরে সদর উপজেলা পরিষদ থেকে সেই আলোচিত চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে মহাদেবপুর থানা পুলিশ।
রোববার ভোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ধামইরহাট উপজেলার দক্ষিণ শিববাটি গ্রামের শাহাদত হোসেন ওরফে মিন্টুর ছেলে সিফাত আহম্মেদ ওরফে রাফি (১৯) ও সাপাহার উপজেলার মুগরইল গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে শাহাদৎ হোসেন ওরফে মিন্টুকে (২১) চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করে।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই সকালে উপ-সহকারি প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আশিকুর রহমান তার সরকারি ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উপজেলা পরিষদের গ্যারেজে রেখে অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
অফিস থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বিকেল ৪ টার দিকে গ্যারেজে গিয়ে তার মোটরসাইকেলটি দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে। পরে সিসিটিভির ফুটেজে দেখতে পান যে, অজ্ঞাতনামা চোরেরা মোটরসাইকেলটি চুরি করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে থানায় মামলা করলে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারেন যে, ধামইরহাট উপজেলার দক্ষিণ শিববাটি গ্রামের শাহাদত হোসেন ওরফে মিন্টুর ছেলে সিফাত হোসেন ওরফে রাফি (১৯), ও তার মামা টিএনটি দক্ষিণ চকযদু গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক পটলের ছেলে আবু মুসা (৩২) মিলে চুরির এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে নিশ্চিত হন পুলিশ।
পরে আসামীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রোববার ভোরে আবু মুসার বাড়িতে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আবু মুসা পালিয়ে যায় তবে তারই বাড়িতে অবস্থানরত সিফাত আহম্মেদ ওরফে রাফিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
রাফির দেয়া তথ্য মোতাবেক সাপাহার উপজেলার মুগরইল গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে শাহাদৎ হোসেন ওরফে মিন্টুর (২১) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চোরাই মোটরসাইকেলসহ তাকে গ্রেফতার করে। মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহীন রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল রবিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
#এম এস