লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আনন্দ পরিবহনের একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রহমতখালী খালে পড়ে ডুবে যায়। এতে দুজন ২ জন নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ দুর্ঘটনার দুই ঘণ্টা পার হলেও ঘটনাস্থলে ডুবুরি পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় উদ্ধারকারীদের। এছাড়া পানির তলদেশে কেউ ডুবে আছে কি না তাও নিশ্চিত বলতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তবে স্থানীয় জনগণ উত্তেজিত। তাদের দাবি, ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দেরিতে আসায় ক্ষতি বেশি হয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা দুর্ঘটনায় একাধিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা লক্ষ্মীপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে রহমতখালী খালে পড়ে ডুবে যায়।
এ ঘটনায় প্রায় ১ ঘণ্টা লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে সড়কের দুইপাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক করে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, অচেতন অবস্থায় আমরা ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করেছি। এরমধ্যে দুইজন মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, চন্দ্রগঞ্জে দুর্ঘটনায় নিহত দুইজনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে।