কাজী ছাওধন মিয়া জানান, আমার ঘরে একটি ফ্যান আর একটি বাতি ছাড়া কিছুই নেই। আমি এই বিল দেখে হতবাক হয়ে যাই। মেম্বার-চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ অফিসে ঘুরছি। তারা বলেছেন বিলটা ঠিক করে দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিল প্রস্তুতের সময় কম্পিউটার ব্যবহারে ভুলের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিল প্রস্তুতকারী কর্মচারী ক্ষমা দাশ বলেন, ইচ্ছে করে নয়, কম্পিউটারের ভুলের জন্য এমনটা হয়েছে।
এ ঘটনায় নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দিনমজুর কাজী ছাওধন মিয়ার বিল কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ভুলের কারণে হয়েছে। বিল প্রস্তুতকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার বিল ইতিমধ্যে সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আর এ ধরনের ভুল হবে না।
তবে শুধু কাজী ছাওধন মিয়ার বিল নয়, চলতি আগস্ট মাসে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলার হাজারো গ্রাহক দেড় থেকে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিলে ভুক্তভোগী হয়েছেন। দৌলতপুর গ্রামের বদরুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎ বিল কমানোর জন্য দু’টি মিটার লাগিয়েছি। কিন্তু এখন আগের চেয়ে আরও বেশি বিল আসে।