মান্দা উপজেলা একটি বৃহৎ উপজেলা।যা ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ইউনিয়নেরর মধ্যে নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ন অন্যতম। আর এ ইউনিয়নের প্রান কেন্দ্র বলা হয় জোতবাজার বাজারকে।
জোতবাজারে বাজারে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা মানুষজন প্রাকৃতিক কাজ সাড়তে বেগ পেতে হয়। এ ক্ষেত্রে পুরুষরা যেনতেনভাবে প্রাকৃতিক কাজ সাড়লেও কিন্তু নারীরা পড়েন বিপাকে।
প্রতিদিন বিভিন্ন -উপজেলা থেকে নানা কাজে জোতবাজার বাজারে আসে। আকস্মিক প্রাকৃতিক কাজের বেগ হলে মানুষজনের অসুবিধায় পড়তে হয়। অনেক মার্কেটে শৌচাগার থাকলেও শুধু মার্কেটের লোকজনের জন্য বরাদ্দ থাকায় বাইরের লোকজন তাতে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। পুরুষের প্রস্রাবের বেগ হলে যেখানে ড্রেন কিংবা পরিত্যক্ত জায়গা পায় তাতেই প্রাকৃতিক কাজ শেষ করে নিস্তার পায়। অনেকে আবার কোনো মসজিদের নির্ধারিত টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজ সাড়েন। তাতেও বিপত্তি! নামাজের ওয়াক্তে শুধু তালা খোলা হয় এ টয়লেটগুলোর।
জোতবাজার বাজারে মহিলাদের জন্য নেই আলাদা কোনো শৌচাগার বা গণ-শৌচাগার। তারা খুবই অসুবিধায় পড়েন। ব্যস্ততম বাজারে গণ-শৌচাগার থাকলেও তা নোংরা ও দুর্গন্ধময়। সেগুলোর একটিও পরিবেশ সম্মত নেই। সেখানে কেউ প্রবেশ করলে নাকে মুখে রুমাল দিয়ে গন্ধ ঠেকানে দায় হয়ে পড়ে। ।
গণ-শৌচাগার নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের। তারা শুধু বাসা-বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার ব্যবহারের জন্য প্রচার-প্রচারণা করে। এ শহর শতভাগ স্যানিটেশন সমৃদ্ধ এ নিয়ে তাদের হাঁকডাক। আর প্রতিদিন বিভিন্ন আঞ্চলের দ্বারপ্রান্তে আসা মানুষজনের জন্য তাদের চিন্তা নেই। এ কথা বলেছেন অনেক ভুক্তভোগী। এছাড় রাস্তার আশেপাশে অনেক স্থানে ময়লা আবর্জনাময় এলাকায় প্রশ্রাব করায় দুর্গন্ধে মানুষ চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। জোতবাজার মীরপাড়া গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডবিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান প্রামানিক বলেন, বাজারে বিভিন্ন প্রয়োজনে আসা নারীরা প্রাকৃতিক কাজ সাড়তে বিপাকে পড়ে। তাই নারীদের জন্য আলাদা গণ-শৌচাগার করা জরুরি। পুরোনো যে গুলো আছে তা সংস্কার করে আধুনিকায়ন করা দরকার।
জোতবাজার বাজার কমিটির সভাপতি ফজলুল বারী সাফী বলেন, মান্দার জোতবাজার চৌরাস্তা মোড়ে গণ-শৌচাগার নেই, তাই দুর্ভোগে লাগভের জন্য গন সৌচাগার প্রয়োজন। গোয়াল মান্দা গ্রামের বাসিন্দা ও নুরুল্যাবাদ ইউপির সাবেক ইউপি সদস্য আকবর আলী বলেন আমি যখন ইউপি সদস্য ছিলাম তখন জোতবাজার বনিক সমবায় সমিতি লিঃ পাড়ে গনসৌচাগার করছিলাম তা এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে দেখার যেন কেউ নেই। আমি স্হানীয় জন প্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।