মুক্তাগাছা সাব রেজিস্ট্রি অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অফিস কেরানি মাসুদ রহমান আর লাল মিয়ার হাতে অফিস জিম্মি সিন্ডিকেটের কব্জায় চলছে সবকিছু।
ঘুষ ছাড়া দলিল সম্পাদন করতে চাইলে পদে পদে হয়রানি। দলিল সম্পাদন করতে আসা দাতাগ্রহীতাদের জিম্মি করে প্রকাশ্য চলছে এই ঘুষ আদায়। এর ভাগ যাচ্ছে নানা মহলে। ফলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার মিলছে না।
মাসুদুর রহমান শ্রেণী পরিবর্তন করে দলিল করে তার সহযোগী লাল মিয়া তাকে সব দিক দিয়ে তাকে সাহায্য করে যাচ্ছে। প্রতি দলিলে ৫ থেকে ১০ হাজার নিয়ে থাকে।
যদি দলিলের কোন বড় সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে। মুক্তাগাছা উপজেলা স্থানীয় বাসিন্দা কিভাবে সেখানে চাকরি করে বছরের পর বছর মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে মুক্তাগাছা রেজিস্ট্রি অফিসে কেরানি হিসেবে টিকে আছে?
জানা গেছে মুক্তাগাছা তার শহরেই বাসা আছে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে তিনতলা কমপ্লিট । জানা গেছে ময়মনসিংহ তার বাসায় আছে তারা দুই ভাই মাসুদুর রহমান ও মাহফুজ তারা দুজনে মিলে বাসা করেছে পাঁচতলা টাকার উৎসব কোথা থেকে আসছে ।। দুর্নীতি দমন দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । নামে বেনামে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ আছে। মুক্তাগাছা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রির কেরানী মাসুদুর রহমান।