আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকে “শতাধিক প্রার্থীকে গ্রীণ সিগন্যাল” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন ঘিরে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাট উল্লাস দেখা দিয়েছে।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় গঠিত তিনটি টিম মাঠপর্যায়ে প্রার্থী যাচাই-বাছাই করছে এবং তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে শতাধিক প্রার্থীকে ভিডিও কলে গ্রীণ সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। এই খবর দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
গোপালগঞ্জ বিএনপিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আসনটির হেভিওয়েট প্রার্থী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। ফেসবুকে চলছে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি সেলিমের নামে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। আন্দোলন-সংগ্রামের ছবি, ভিডিও, ও তাঁর নেতৃত্বে সংগঠিত বিভিন্ন কর্মসূচির স্মৃতিচারণে ভরে গেছে সামাজিক মাধ্যম।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, গোপালগঞ্জ বিএনপির ইতিহাসে এত জনপ্রিয় ও কর্মীবান্ধব নেতা আগে কখনও আসেননি। মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু বলেন, “গোপালগঞ্জ-১ এ সেলিমুজ্জামান সেলিমের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তিনি কর্মীদের জন্য নিবেদিতপ্রাণ নেতা।”
সাবেক পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টু মিয়া বলেন, “সেলিমুজ্জামান সেলিম ভদ্র, বিনয়ী, সদালাপী নেতা—দূর্দিনে কর্মীদের বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন বলেই সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রতি রয়েছে প্রবল আস্থা।”
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু বলেন, “আন্দোলনের সময়ে আমরা তাঁকেই পাশে পেয়েছি। তৃণমূলে ভোটাররা একবাক্যে বলেন—এই এলাকার জন্য এমন কর্মীবান্ধব নেতাই দরকার।”
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান বলেন, “২০০৮ সালের পরে যখন অনেকেই দল ছেড়েছে, তখনও সেলিমুজ্জামান সেলিম কর্মীদের পাশে ছিলেন। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর নেতৃত্বে কর্মীরা সাহস পেয়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—দল এবার তাকেই নমিনেশন দেবে।”
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলিমুজ্জামান সেলিম শুধুমাত্র একজন প্রার্থী নন, তিনি গোপালগঞ্জ বিএনপির প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তাঁকে ঘিরেই এবার নির্বাচনী ময়দানে প্রাণ ফিরে পেয়েছে তৃণমূল।
#এমবি_বিআর