1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

আদ-দ্বীন হাসপাতালের ভেতরেই রুটির কারখানা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে শিশুমৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা

বাংলার রঙ অনলাইন ডেস্ক / ১৩৬
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের ভবনের ভেতরে একটি রুটির কারখানার সন্ধান পেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কোরবানির ঈদের আগের দিন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে এখন এই কারখানার সম্ভাব্য ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালের ভেতরে পরিচালিত ওই কারখানা থেকে কোনো ধরনের গ্যাস বা ক্ষতিকর পদার্থ নির্গত হয়ে শিশুদের মৃত্যুর কারণ হয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করছে তদন্ত কমিটি।

আজ শনিবার বিকেলে আদ-দ্বীন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছে এবং ভবনের ওপরের একটি তলায় বৈদ্যুতিক ওভেনে পরিচালিত রুটির কারখানার অস্তিত্ব পেয়েছে। মন্ত্রী বলেন, সেখানে ইলেকট্রিক ওভেনের মাধ্যমে রুটি তৈরি করা হতো। তবে কারখানাটিতে কোনো ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া যায়নি।

এ কারখানা থেকে এমন কোনো গ্যাস বা রাসায়নিক উপাদান তৈরি হয়েছিল কি না, যা শিশুদের সহ্যক্ষমতার বাইরে ছিল, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শিশুদের মায়েদের বক্তব্য ছাড়া আদ-দ্বীনের তদন্ত প্রতিবেদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রীমৃত শিশুদের মায়েদের বক্তব্য ছাড়া আদ-দ্বীনের তদন্ত প্রতিবেদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিষয়টি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষজ্ঞ দল আবারও হাসপাতাল পরিদর্শন করবে। কারখানার পরিবেশ, যন্ত্রপাতি ও সম্ভাব্য নির্গমনের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হবে। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাজার হাজার শিক্ষার্থী, রোগী ও স্বজনের উপস্থিতি থাকে।

এমন জায়গায় রুটির কারখানা থাকা উচিত নয়। এটি আমাদের নজরদারি ও তদারকির ঘাটতির বিষয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম যাতে হাসপাতালের ভেতরে পরিচালিত না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, হাসপাতালের একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকার বিষয়টিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। রুটির কারখানা কিংবা জমে থাকা পানি থেকে কোনো ক্ষতিকর গ্যাস বা পদার্থ সৃষ্টি হয়ে শিশুদের মৃত্যুর কারণ হয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/