গাজা সিটি থেকে এএফপি জানায়, ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা গাজা উপত্যকায় আকাশপথে খাদ্যপণ্য ফেলতে শুরু করেছে এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে অনাহারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, তারা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা প্রবাহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গাজায় সক্রিয় জাতিসংঘ বা বেসরকারি ত্রাণ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বেসরকারিভাবে সংশয় প্রকাশ করে মানবিক ত্রাণ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তারা মাঠপর্যায়ে বাস্তব অগ্রগতি দেখার অপেক্ষায় রয়েছে।
ইসরাইল জানায়, যুদ্ধবিরতি কেবল সেসব এলাকায় সীমিত থাকবে, যেখানে বর্তমানে ইসরাইলি সেনা মোতায়েন নেই, যেমন আল-মাওয়াসি, দেইর আল-বালাহ ও গাজা শহর।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই বিরতি কার্যকর থাকবে।
তবে বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, গাজার বিভিন্ন অংশজুড়ে ‘নির্ধারিত নিরাপদ পথ’ খুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলো খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দিতে পারে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, এই মানবিক তৎপরতা এবং ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের মাধ্যমে গাজায় পরিকল্পিত অনাহারের ‘মিথ্যা অভিযোগ’ খণ্ডন হবে।