1. admin@banglarrang.com : admin :
  2. info.banglarrang@gmail.com : banglar rang : banglar rang
  3. demo1.banglarrang@gmail.com : demo1 demo : demo1 demo
  4. owdcfyxb@znemail.com : emanuelsolander :
  5. joshuawilliams47430dvn@budgetthailandtravel.com : fannyigv718 :
  6. novikov-9iouh@myrambler.ru : lynda78370040 :
  • শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যুগপূর্তি উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশ, ময়ননসিংহ এর আয়োজনে পুলিশ সুপার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ১৫৯ জনের নামে মামলা এমএসই’২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হকের মৃত্যুতে কুয়েটে শোক, বন্ধ একাডেমিক কার্যক্রম বগুড়ায় এ মৌসুমে সবজির পর এবার আলু রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো বরখাস্ত আর কখনো যাতে ভোট ডাকাতি না হয়, সে ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার চবি শিক্ষার্থী অর্পিতা শীলের চোখে সুন্দরবনের ঢাংমারী : জীবনসংগ্রাম ও আতঙ্কে জর্জরিত জেলেপল্লী মাল্টিমিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁয় বিশুদ্ধ পানি নিয়েও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

এম শামীম হোসেন স্টাফ রিপোর্টারঃ / ৫৬
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নওগাঁর সাপাহারে সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত টাকা আদায়, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং গভীরতা কমিয়ে কাজ করা হয়েছে।

ফলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্পে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। আর ভেস্তে যেতে বসেছে সরকারের জনকল্যাণমূলক বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পটি। জানা গেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ৭২টি সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের কাজ পেয়েছে কামাল এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই প্রকল্পের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৯৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে নিয়মনীতি ও মানদণ্ড লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দরপত্র অনুযায়ী পাম্প স্থাপনের আগে ডুয়েট (DUET) থেকে যে ব্র্যান্ডের পাম্প টেস্টিং ও অনুমোদনের কথা ছিল সেটি ব্যবহার করা হয়নি। বোরিং পাইপও এক কোম্পানির উল্লেখ থাকলে অন্য কোম্পানিরটা ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো খুবই নিম্নমানের। একইভাবে ফিল্টার ব্যবহারে ‘ই ক্লাস’ মানদণ্ড অনুসরণ না করে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ডি ক্লাস’ মানের।

এ ছাড়া থ্রেড পাইপ ও এলবো সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও দরপত্র অনুযায়ী উন্নতমানের সামগ্রী দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে ব্যবহার করা হয়েছে সস্তা ও নিম্নমানের পণ্য। এর ফলে অনেক জায়গায় কয়েক দিনের ব্যবধানে পানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে, কোথাও কোথাও পানি উঠছে না। নির্ধারিত সেবা ফি ৭,০০০ টাকা হলেও উপকারভোগীদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

দরপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি নলকূপের বোরিং গভীরতা হওয়া উচিত ছিল ২৫০ ফুট, যাতে আর্সেনিক ও আয়রনমুক্ত পানি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ স্থানে বোরিং করা হয়েছে মাত্র ১২০ থেকে ১৫০ ফুট, ফলে অনেক জায়গায় আয়রনযুক্ত পানি উঠছে এবং কোনো কোনো পাম্প থেকে পানি উঠছে না। এমতাবস্থায় সাধারন মানুষের দাবী সঠিক তদন্ত করে দোষিদের বিচারের আওতায় আনাতে হবে ও মানুষের দুর্দশার কথা চিন্তা করে সঠিক স্থানে যথা যতো ভাবে প্রকল্প পরিচালনা করা হোক।

#এম_এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/