বগুড়া আদমদীঘি উপজেলাতে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চাল অবৈধ ভাবে মজুদ রাখার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ১১৫ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল জব্দ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। এসময় গুদাম ঘরে রাখা চাল জব্দ করার পাশাপাশি গুদাম ঘরটি সিলগালাও করেন উপজেলা প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮শে আগষ্ট) বিকেলে আদমদীঘি উপজেলা সদরের গোহাট সংলগ্ন একটি গুদাম ঘরে অভিযান চালিয়ে ওইসব চাল জব্দ করা হয়।
আদমদীঘি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের উপ পরিদর্শক মোঃ রাকিব হাসান জানান, আদমদীঘি উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজার গোহাট সংলগ্ন মসজিদের পাশে একটি গুদাম ঘরে সরকারি খাদ্যবান্ধবের চাল ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য বিপুল পরিমান চাল অবৈধ ভাবে মজুদ রাখা হয়েছে।
এমন গোপন সংবাদের ভিক্তিতে আদমদীঘি সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার নেতৃত্বে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের উপ পরিদর্শক মোঃ রাকিব হাসান, পুলিশসহ ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম উল্লেখিত গুদাম ঘরে অভিযান চালান। অভিযানে ঘরের ভিতর অবৈধ ভাবে রাখা সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসুচীর ১১৫ বস্তায় মোট তিন টন ৪৫০ কেজি চাল জব্দ ও ওই ঘর সিলগালা করা হয়।
খাদ্যবান্ধব কর্মসচীর ডিলার মোঃ আব্দুস ছাত্তার সরকার জানান, এই চাল বিতরণের জন্য মাস্টাররোল রয়েছে যা গতকাল ২৮শে আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে খাদ্য অফিসে দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে ডিলার মোঃ আব্দুস ছাত্তার সরকার সরকারি খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণের স্থান রেলওয়ে স্টেশন বাজার গুদামে রাখার সরকারি নিয়ম থাকলেও সেই চাল উপজেলা প্রশাসনকে না জানিয়ে প্রায় ২ কিলোমিটার দুরে গোহাট সংলগ্নচ গুদাম ঘরে রাখা হলো এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আদমদীঘি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার আবুল বাসার বলেন, ডিলার আব্দুস ছাত্তার চাল বিতরণের মাস্টার রোল দাখিল করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।