দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছেড়েছে জাতীয় ক্রিকেট দল। দুই ম্যাচের এ গুরুত্বপূর্ণ সিরিজকে সামনে রেখে শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে উড়াল দেয় টাইগারদের প্রথম বহর। প্রথম দফায় দেশ ছেড়েছেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম, অমিত হাসানসহ দলের কয়েকজন সদস্য। তাদের সঙ্গে রয়েছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ এবং সাপোর্ট স্টাফের সদস্যরা।
দলের বাকি সদস্যরা পৃথক ফ্লাইটে পরে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতির জন্য কিছুটা আগেভাগেই অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। সেখানে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এরপর শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। প্রথম টেস্ট ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ওভালে, আর দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হবে। ডারউইনে এর আগে মাত্র একবারই খেলেছে বাংলাদেশ।
২০০৩ সালের সেই সফরে ইনিংস ব্যবধানে হারতে হয়েছিল টাইগারদের। এরপর এই ভেন্যুতে আর কোনো টেস্টও অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে মাঠ ও কন্ডিশন সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই খুব বেশি ধারণা নেই বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের। সফরের আগে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত জানান, ডারউইনের কন্ডিশন নিয়ে খুব বেশি তথ্য না থাকলেও দলের বিশ্লেষকরা প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাওয়াকে নিজের জন্য বিশেষ সৌভাগ্য বলেও মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শান্তর লক্ষ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তাদের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে পারাটা আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের। গত ২৩ বছরে আমাদের সেখানে আরো বেশি টেস্ট খেলা উচিত ছিল। আমাদের লক্ষ্য থাকবে ভালো ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা। যদি আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে তারা আমাদের আরও বেশি টেস্ট সিরিজ খেলতে আমন্ত্রণ জানাবে।