1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

নওগাঁয় স্কুলের ছাদ ধসে ফ্যান পরে দুই শিক্ষক আহত

এম শামীম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার / ৫০৭
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একটি বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ছাদের পলেস্তারা খসে ফ্যান খুলে শিক্ষকদের ওপর পড়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির দুই নারী শিক্ষক আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষকেরা হলেন মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬)। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন।

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, ‘অফিস কক্ষে শিক্ষকেরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি আমার ওপর পড়ে। এতে আমি ও রশিদা ম্যাডাম আহত হই। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ‘ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন ধরেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোনো কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।’ তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি হলেই দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাঁদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, ‘বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
#এম_এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/