1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

এশীয় মিত্রদের ভুলে যায়নি যুক্তরাষ্ট্র: হেগসেথ

বাংলার রঙ ডেস্ক / ২৮০
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরান ইস্যুসহ বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করলেও যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ায় তার মিত্রদের প্রতি প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাচ্ছে না। আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শাংগ্রি-লা ডায়ালগে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তুললে হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একই সঙ্গে বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মিত্রদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম। তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ মনে করতে পারেন যে, আমাদের বৈশ্বিক দায়িত্ব মানেই এই অঞ্চল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, বাস্তবে তা নয়।’ সম্প্রতি তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এই বিষয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান পরিস্থিতি ও অস্ত্র চুক্তির বিষয়কে আলাদা করে দেখা উচিত। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত ও উৎপাদন সক্ষমতা শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। বক্তব্যে হেগসেথ চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়ানোর কথা বলেন। তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলো ক্রমাগত উত্তেজনা নয়, বরং এমন একটি শক্তির ভারসাম্য চায়, যেখানে চীনসহ অন্য কোনো দেশ যেন একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে না পারে। যুক্তরাষ্ট্রও এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে চায়। তবে তিনি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার কথা বললেই হবে না, সেই নিয়ম রক্ষায় সামরিক শক্তিও প্রয়োজন। তিনি বলেন, আরও বেশি সম্মেলন নয়, প্রয়োজন আরও বেশি যুদ্ধ সক্ষমতা, জাহাজ ও সাবমেরিন। গত বছরের মতো এবারও তিনি এশিয়ার মিত্র দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং জিডিপির অন্তত ৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষায় ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণের পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইনের সামরিক ব্যয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রশংসা করেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে নিউজিল্যান্ডকে ‘ফ্রিলোডার’ বা সুবিধাভোগী বলে উল্লেখ করলে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেন, নিউজিল্যান্ড প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির ২ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এবারের বক্তব্যে হেগসেথের চীনবিষয়ক ভাষা তুলনামূলকভাবে সংযত ছিল। গত বছর তিনি তাইওয়ানের জন্য চীনকে ‘আসন্ন হুমকি’ বললেও এবার তিনি স্থিতিশীল শক্তির ভারসাম্য ও পরিমিত শক্তি প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/