1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

কেন প্রতিদিনই অ্যাভোকাডো ফুলের লিঙ্গ বদলায়—৯৯ বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন

প্রতিনিধির নাম / ১১৫
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

প্রতিদিন পুরুষ থেকে নারী, আবার নারী থেকে পুরুষ—অ্যাভোকাডোগাছের ফুলের এই বিস্ময়কর লিঙ্গ পরিবর্তনের রহস্য অবশেষে উদ্‌ঘাটন করেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন-কোডিং জিন অ্যাভোকাডোগাছের ফুলকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট ছন্দে লিঙ্গ পরিবর্তনে সহায়তা করে। অ্যাভোকাডোগাছে এই অসাধারণ প্রজনন কৌশলের ঘটনাটি বসন্তকালে ঘটে। গাছটির ফুল একই সঙ্গে পুরুষ ও নারী প্রজনন অঙ্গ ধারণ করলেও দিনের বিভিন্ন সময়ে তারা ভিন্ন লিঙ্গের ভূমিকা পালন করে। উদ্ভিদবিজ্ঞানী এ এ স্টাউট ৯৯ বছর আগে ১৯২৭ সালেই এই বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

তবে এত দিন বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেননি কীভাবে ফুলগুলো এত নিখুঁত সময় মেনে এই পরিবর্তন ঘটায়। অ্যাভোকাডোগাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘পারসিয়া আমেরিকানা’ (Persea americana)। এর ফুলের আচরণ প্রধানত দুই ধরনের। ‘এ-টাইপ’ গাছে ফুল সকালে নারী পর্যায়ে থাকে—অর্থাৎ, পরাগ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকে। পরদিন বিকেলে একই ফুল পুরুষ পর্যায়ে গিয়ে পরাগ উৎপাদন করে। অন্যদিকে ‘বি-টাইপ’ গাছে এর বিপরীত ছন্দ দেখা যায়। তারা সকালে পুরুষ পর্যায়ে থাকে এবং পরদিন বিকেলে নারী পর্যায়ে যায়। বার্কলির ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার পোস্টডক্টরাল গবেষক জেফরি গ্রোহ ও তাঁর সহকর্মীরা ‘প্রোসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স ইউএসএ’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় এই রহস্যের জিনগত ভিত্তি শনাক্ত করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে—একটি নির্দিষ্ট জিন এমন একটি প্রোটিন তৈরি করে, যা আরও বহু জিনকে সক্রিয় করে ফুলের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমন্বয় করে। এর ফলে পুরো গাছের ফুলগুলো যেন একই ছন্দে নারী থেকে পুরুষ কিংবা পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হয়।

বিষয়টি নিয়ে গবেষণায় অংশ না নেওয়া ইউটা স্টেট ইউনিভার্সিটির উদ্ভিদ বিবর্তনীয় জিনতত্ত্ববিদ ক্যাথি রাশওয়ার্থ বলেন, শনাক্ত করা জিনের অঞ্চলে এত স্পষ্ট সংকেত পাওয়া গেছে যে, তা যেন ‘অন্ধকারেও জ্বলজ্বল করে’। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অ্যাভোকাডোর এই প্রজনন কৌশল প্রায় চার কোটি বছর আগে বিবর্তিত হয়েছিল। একই ধরনের কৌশল কিছু ঘনিষ্ঠ প্রজাতিতে দেখা গেলেও সব ক্ষেত্রে একই জিনগত প্রক্রিয়া কাজ করে না। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্রকৃতিতে এই বিস্ময়কর প্রজনন কৌশল একাধিকবার স্বাধীনভাবে বিবর্তিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/