1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

ওএমএস এর চাল-আটা বিক্রি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক

এম শামীম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার / ২৩১
বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের তাজের মোড় বধির স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল।

সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি আওতায় খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল ও আটা বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীন, সহকারী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল কবির, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা গোলাম মওলাসহ প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, খোলা বাজারে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই বিক্রি কার্যক্রম চলবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিজন ৫ কেজি করে চাল ও আটা কিনতে পারবেন। প্রতিদিন ১২ জন ডিলারের মাধ্যমে পৌর এলাকার ১২টি পয়েন্টে ৯ মেট্রিক টন করে চাল-আটা বিক্রি করা হবে। সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খোলা বাজারে ওএমএস চাল-আটা বিক্রি শুরু করেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ ছিল ওএমএসের চাল বিক্রি। বাজারে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্বস্তিতে রয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। সরকারে এই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হওযায় নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কর্মসূচির প্রথম দিন ডিলারের দোকানগুলোতে চাল-আটা কিনতে উপড়ে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ওএমএসের চাল কিনতে আসা গৃহবধূ মঞ্জু আরা বলেন, আমরা গরীব মানুষ। সারা বছর চাল কিনে খেতে হয়। বাজারে চালের দাম খুবই বেশি। তারমধ্যে অনেকদিন থেকে এই চাল বিক্রি বন্ধ ছিল। আমাদের মতো দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। কম দামে চাল পাওয়ায় এখন কিছুটা স্বস্থি আসবে। সরকার যেন চাল বিক্রি বন্ধ না রাখে এবং সারা বছরই এটা চালু রাখার দাবি জানান তিনি। খোলা বাজারে চাল-আটা বিক্রির ট্রাক বাড়াচ্ছে সরকার

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, ভোক্তাদের স্বস্তি দিতেই আজ থেকে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রির কার্যক্রম শুরু হলো।

কোনো ডিলার এই কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এম এস#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/