1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

কলকাতায় রাজনৈতিক কার্যালয় খুলেছে আওয়ামী লীগ

বাংলার রঙ অনলাইন ডেস্ক / ৩৪১
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
ফাইল ছবি

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ কলকাতার একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে রাজনৈতিক কার্যালয় খুলেছে। সেখানে দলের নেতাকর্মীরা নিয়মিত যাতায়াত করছেন। এমন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে যাতায়াতকারী অনেকেই এক বছর আগেও বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ বা মধ্যম পর্যায়ের নেতা। যেই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে তারা কয়েক মাস ধরে যাতায়াত করছেন, সেখানেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের ‘দলীয় দপ্তর’ খুলেছে।

এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের এই পার্টি অফিসটি একেবারেই নতুন। এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর কয়েক মাস ধরে ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছোটখাটো বৈঠক বা দলীয় দপ্তরের কার্যক্রম নিজেদের বাসাবাড়িতেই পরিচালনা করতেন। বড় আকারের বৈঠকের জন্য অবশ্য ভাড়া নিতে হতো কোনো রেস্তোরাঁ বা ব্যাঙ্কোয়েট হল। তাই একটি স্থায়ী ‘পার্টি অফিস’-এর প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

বিবিসি বলছে, বাণিজ্যিক পরিসরটির পেছনের দিকের ভবনের অষ্টম তলায় লিফট দিয়ে উঠে বাঁ দিকে গেলেই সারিবদ্ধভাবে পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দপ্তর। করিডোরের দুপাশে হালকা বাদামি রঙের একের পর এক দরজা। সেখানেই একটি দরজার আড়ালে রয়েছে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বর্গফুটের এই ঘরটিতে উঁকি দিলেও বোঝা যাবে না, এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক আছে। ঘরের বাইরে বা ভেতরে কোথাও নেই সাইনবোর্ড, শেখ হাসিনার ছবি বা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি।

বিবিসি বাংলাকে এক আওয়ামী লীগ নেতা জানান, বঙ্গবন্ধু বা নেত্রীর কোনো ছবি কিংবা সাইনবোর্ড ইচ্ছাকৃতভাবেই রাখা হয়নি, যাতে ঘরটির পরিচয় প্রকাশ না পায়। এমনকি দলীয় দপ্তরের সাধারণ ফাইলপত্রও এখানে রাখা হয় না। মূলত নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ ও বৈঠকের জন্যই একটি জায়গার প্রয়োজন ছিল, আর সেটি এখানে পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, একে ‘পার্টি অফিস’ বলা হলেও আসলে এটি একটি বাণিজ্যিক অফিস। আগে যে সংস্থা এখানে কাজ করত, তাদের ফেলে যাওয়া চেয়ার-টেবিলসহ সব আসবাবই এখন ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ৩০-৩৫ জনের বৈঠক এই দপ্তরেই করা যায়, যদিও একটু ঘেঁষাঘেঁষি করে বসতে হয়। ছোটখাটো বৈঠক বিভিন্ন নেতার বাসায় এখনো হয়। তবে বড় ধরনের বৈঠকের জন্য, যেখানে দুই শতাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতি প্রয়োজন হয়, সাধারণত কোনো ব্যাঙ্কয়েট হল বা রেস্তোরাঁর একটি অংশ ভাড়া করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/