1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

জ্বালানি সংকট: চট্টগ্রামে ভয়ানক চাপে শিল্প খাত, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

বাংলার রঙ ডেস্ক / ২০২
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন ব্যয় বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। এতে উৎপাদন, সরবরাহ ও রপ্তানিতে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

শিল্পমালিক ও খাতসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রামে সচল থাকা ১ হাজার ৬৭৬টি শিল্পকারখানার প্রায় সব কটিই জ্বালানিসংকটের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। গার্মেন্টস, ইস্পাত, সিমেন্ট, জাহাজভাঙা, টেক্সটাইল, স্পিনিং, অক্সিজেন ও গ্যাসভিত্তিক শিল্প—সব খাতেই উৎপাদন কমেছে ২০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত। এগুলোর মধ্যে ৫৭০টি গার্মেন্টস কারখানায় উৎপাদন কমেছে ২৪ শতাংশ, ৫০টি রি-রোলিং মিলে ৩০ শতাংশ এবং ৭৩টি জাহাজভাঙা শিল্পে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ উৎপাদন কমেছে।

এ ছাড়া সিমেন্ট, টেক্সটাইল ও স্পিনিং খাতেও উৎপাদন কমেছে ১৫-৩০ শতাংশ। শিল্পোদ্যোক্তাদের ভাষ্য, জ্বালানি সংকট এখন দ্বিমুখী চাপ সৃষ্টি করেছে—একদিকে উৎপাদন কমছে, অন্যদিকে ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। এইচএম স্টিলের পরিচালক সরওয়ার আলম বলেন, ‘চাহিদার মাত্র ৫০ শতাংশ জ্বালানি পাচ্ছি। আগে তিন শিফটে কারখানা চললেও এখন এক শিফট বন্ধ রাখতে হচ্ছে। গত দুই মাসে প্রতি টন রড উৎপাদনে খরচ বেড়েছে ৫০০-৭০০ টাকা।’ একই চিত্র সিমেন্ট খাতেও। প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বলেন, জ্বালানিসংকটের কারণে গত দুই মাসে প্রতি ব্যাগ সিমেন্ট উৎপাদনে ২০-২৫ টাকা পর্যন্ত ব্যয় বেড়েছে। বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন তথ্যেও সংকটের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। আবুল খায়ের স্টিলে দৈনিক ৪ হাজার টন রড উৎপাদন কমে সাড়ে ৩ হাজার টনে নেমেছে।

জিপিএইচ ইস্পাতের উৎপাদন ৩ হাজার টন থেকে কমে ১ হাজার ৮০০ টনে দাঁড়িয়েছে। কনফিডেন্স সিমেন্টের উৎপাদনও ৪ হাজার টন থেকে কমে ৩ হাজার টনে নেমেছে। ইস্পাত খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, অভ্যন্তরীণ সংকটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতিও চাপ বাড়াচ্ছে। বিএসআরএমের ডিএমডি তপন সেনগুপ্ত বলেন, শুধু দেশের জ্বালানি সংকট নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে কাঁচামালের দাম ও জাহাজভাড়া বেড়েছে। এতে রড উৎপাদনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। একই প্রসঙ্গে জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ; কিন্তু খরচ বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি কাঁচামালের দাম টনপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি বেড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/