1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় উল্লম্ফন, ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছুঁইছুঁই

বাংলার রঙ অনলাইন ডেস্ক / ৩৪০
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে চলমান যুদ্ধ আরও তীব্র আকার ধারণ করায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছেছে। উৎপাদনের ওপর একের পর এক হামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

তবে পরক্ষণে কিছুটা কমে ১১২.৯৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হালকা ও মিষ্টি অপরিশোধিত তেল বা ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দাম ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছানোর পর বর্তমানে ১১০.১৭ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে। এক দিনে তেলের দামের এমন ঊর্ধ্বগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষক সংস্থা রাইস্টাড এনার্জি-এর তথ্যমতে, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ বা প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করা হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে এই রুটটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই প্রণালির মাধ্যমে সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো তেল পাঠায়। বর্তমানে প্রাণহানি ও জাহাজ ধ্বংসের ভয়ে ট্যাংকার চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। রপ্তানি করতে না পারায় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো বর্তমানে গভীর সংকটে পড়েছে। ইরাক, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে তাদের তেল উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কারণ, জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের স্টোরেজ ট্যাংকগুলো পূর্ণ হয়ে গেছে।

এ ছাড়া যুদ্ধের শুরুতে ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একাধিক তেল ও গ্যাস শোধনাগারে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা সরবরাহের চেইনকে পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত যুদ্ধবিরতি না ঘটে বা সরবরাহ পথ স্বাভাবিক না হয়, তবে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং তীব্র মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের শেয়ার বাজারে দেখা দিয়েছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/