1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

মুকসুদপুরে ব্যতিক্রমধর্মী পদযাত্রা ও গণ-সংযোগ কর্মসূচি

মো: আরিফ শেখ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি / ২৮৫
বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ও জলিরপাড় ইউনিয়নে দেলোয়ার মোল্লা ও ফকির মিরাজ আলী শেখের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী পদযাত্রা ও গণ-সংযোগ কর্মসূচি।

কারফিউ জারি হওয়ার পর থেকে পুরো গোপালগঞ্জ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক। উঠেছে একচেটিয়া গণগ্রেফতারের অভিযোগ। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে দিনমজুর পর্যন্ত—সবাই আজ আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন। অনেকেই দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন, বাজারে যেতে ভয় পাচ্ছেন, এমনকি ঘরের বাইরে পা রাখতেও ভয় পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এই পরিস্থিতিতে, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

তারা এলাকার বাজার ও জনবহুল এলাকায় গিয়ে জনগণকে বলেন, “আপনারা আতঙ্কিত হবেন না। প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলুন, কিন্তু নিজের স্বাভাবিক জীবনযাপন বন্ধ করে দেবেন না। কোনো নিরীহ মানুষকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। যারা দোষী, শাস্তি তাদেরই প্রাপ্য।”

পদযাত্রা শেষে নেতাদের শক্ত বার্তা:
তারা প্রশাসন ও সরকারের কাছে দাবি জানান—
গোপালগঞ্জ জেলার সাধারণ, নিরীহ মানুষদের একচেটিয়া গণগ্রেফতার বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

এসময় নেতারা আরও বলেন, “গোপালগঞ্জের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তারা কোনো অপরাধে জড়িত না থেকেও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটা স্পষ্টভাবে মানবাধিকারের লঙ্ঘন।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, “মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টি যেন সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হয়। প্রশাসনকে হতে হবে সংবেদনশীল এবং ন্যায়নিষ্ঠ।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/