1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

রাজবাড়ীতে সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী পালিত

বাংলার রঙ ডেস্ক / ৪৮১
শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

রাজবাড়ীতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৩ নভেম্বর বালিয়াকান্দি উপজেলার পদমদী গ্রামে মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রে আলোচনা সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বাংলা একাডেমির উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি পালিত হয়। এ দিবসটি ঘিরে এ মহান সাহিত্যিককে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হন দেশের সাহিত্যপ্রেমী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির পরিচালক সমীর কুমার সরকার ও ড. সরকার আমিন।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধকার ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক ডিন ড. তুহিন ওয়াদুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোস্তাফিজুর রহমান। সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষকবৃন্দ। তারা মীর মশাররফ হোসেনের জীবন ও সাহিত্যকর্মের মানবতাবাদী দর্শনের নানা দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামের মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে মারা যান। পরে তাঁকে এখানেই সমাহিত করা হয়। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে পদমদীতে নির্মাণ করা হয় মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র। সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, আত্মজীবনী, প্রবন্ধ ও ধর্ম বিষয়ক ৩৭টি বই লিখেছেন। সাহিত্য রচনার পাশাপাশি কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/