1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

রাস্তায় আলু ফেলে আলু চাষীদের মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ

এম শামীম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার / ১৬২
বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

ধান-গমের ন্যায় আলুরও নির্ধারিত মূল্যের আবেদনে নওগাঁয় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চাষি ভাইয়েরা। নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদের সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হাতে থাকা আলু রাস্তায় ফেলে দেন চাষী ভাইয়েরা।

নওগাঁ, বগুড়া ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন এলাকার চাষীভাই ও আলু ব্যবসায়ী পরিবারের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করে।

আগত বক্তারা বলেন, বর্তমানে বাজারে আলুর দাম উৎপাদন খরচের অর্ধেকেরও কম। প্রতি কেজি আলুতে লোকসান হচ্ছে ১৭-১৮ টাকা। ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ করে চাষ করা আলুর প্রকৃত দাম না পেয়ে চাষিভাইয়েরা মহা বিপাকে পড়ে হতাশার দিন গুনছেন যে, আগামী মৌসুমে আলু চাষ করবেন কী না। সরকার যদি দ্রুত আলুর ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ না করে, তাহলে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন।

উপজেলার চকবাড়িয়া গ্রামের চাষী আব্দুল জলিল বলেন, ‘সার আর ফসফেটের দাম বেশি, চাষের শুরু থেকেই খরচ বাড়তি। আলুর দাম নিম্নগামী, উঠছেই না দাম, ধান-চালের মতো আলুরও নির্ধারিত মূল্য চাই, সরকার এটি দ্রুতসময়ে নির্ধারন করুন।

অত্র উপজেলার বক্তারপুরের চাষী মোস্তাকিম বলেন, ‘প্রতি মণ আলু চাষে খরচ হয়েছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। এখন সেই আলু বিক্রি করতে হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়। হিমাগারেও খরচ বেশি নিচ্ছে। আমরা কোথায় যাব? আমাদের কথা কেউ শোনে না, সরকার যদি এগিয়ে না আসে, আমরা ধ্বংস হয়ে যাব।

প্রান্তিক চাষী রফিকুল আলম বলেন, ‘গরু বিক্রি আর এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছি। এখন বাজারে দাম নেই। হিমাগারে রাখতেও প্রতি কেজিতে আগের চেয়ে ৪ টাকা বেশি নিচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতি কেজি আলুতে খরচ হচ্ছে ২৫-২৬ টাকা। অথচ পাইকারি বাজারে সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ১১-১২ টাকায়।

এ বিষয়ে নওগাঁ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সোহাগ সরকার বলেন, এ বছর আলুর উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। ফলে দাম কমেছে। এই সময়ে অন্যান্য সবজি বেশি থাকায় আলুর চাহিদা কম থাকে।

তবে সরকার টিসিবি বা ওএমএসের মাধ্যমে আলু বিতরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলার পত্নীতলা, ধামুইর হাট,বদলগাছি, আত্রাই, রানীনগর সহ অন্যান্য অঞ্চলের হাট বাজারে আলুর দামের চিত্র একইরকম বলে যানান তিনি তবে আশা করা যায় সামনের দিকে কিছুটা বারবে বলে আশা করছেন এতে করে চাষিরাও লাভবান হবেন।

#এম এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/