1. admin@banglarrang.com : admin :
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলে অন্তর্ভুক্তিতে পৃথক প্রজ্ঞাপন লাগবে না পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ প্যারোলে মুক্ত হয়ে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেন হুমায়ুন কোবির পাটোয়ারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট অমীমাংসিত মেলিসা হত্যাকাণ্ডের ৪০ বছর পর ফোন করে নিজের পরিচয় দিলেন খুনি ৭২ লাখের সংসদীয় লুকে কোথায় কত খরচ করলেন কঙ্গনা ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ ‎ ৫০ পদে নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ, রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ আকর্ষণীয় বেতন

১০ মাসেই সংযোগ সড়কে ধ্বস, সংস্কারে নেই কোন উদ্যোগ

এম শামীম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার / ৫০০
শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

উদ্বোধনের ১০ মাসের মধ্যেই কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার হরিশ্বরডারা খালের সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। এতে সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মত, গত বছরের নভেম্বর মাসে হরিশ্বরডারা খালের ওপর আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ শেষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ২৮ আগস্ট সেতুর সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে ধস দেখা দেয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, সেতুর পশ্চিম অংশে সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে সড়কের ইটের সোলিং ভেঙে পড়েছে। পাশ দিয়ে ভারী যানবাহন চলার কারণে ভাঙা অংশ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে এই ভাঙা অংশে বড় হয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন পাত্রখাতা মিনাবাজার এলাকার নুরুল হক।

তিনি বলেন, সড়কটির দুই পাশে সঠিকভাবে মাটি না ফেলা এবং মাটি রক্ষার জন্য রাস্তার দুই পাশে সুরক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা না করায় এ অবস্থা। এর সঙ্গে রয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার। মোট কথা ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ভেঙে যাচ্ছে সড়কটি।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে শরীফের হাট-কাশিমবাজার সড়কের হরিশ্বরডারা খালের ওপর ৬৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল। কাজটি করে মেসার্স নুফা-জেডএইচডি-জেভি নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল। নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে সেতুর কাজ শেষ করে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ১৯ মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত বিল দেন। সেতু নির্মাণে ব্যয় হয় ৪ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১৯৩ টাকা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হুমায়ুন কবিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও সাড়া মেলেনি। সেতু নির্মাণ প্রকল্প দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পাপ্পু এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল থেকে ১০ পারসেন্ট সিকিউরিটি মানি কেটে রাখা হয়েছে। সংস্কার কাজ না করলে ওই টাকা দিয়ে কাজ করা হবে।

#এম_এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/