নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অপমানজনক ও অশালীন কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, “রোস্টিং সেন্টার” নামে পরিচিত কয়েকটি ফেসবুক পেজ থেকে গত কয়েক মাস ধরে এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। শুরুতে একটি পেজ থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা বেড়ে ছয় থেকে সাতটিতে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের অজান্তে ভিডিও ধারণ করে তা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে নারী-পুরুষ উভয়ই ভুক্তভোগী হচ্ছেন।
অনেকে জানান, ব্যক্তিগত মুহূর্ত বা চলাফেরার দৃশ্য ধারণ করে তা অপ্রাসঙ্গিক ক্যাপশন ও গানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যা ভুক্তভোগীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।
শুধু মেয়েরাই নয়, ছেলেরাও এর শিকার হচ্ছেন।
কেউ কোথাও ঘুরতে গেলেও দূর থেকে ভিডিও করে তা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সাধারন মানুষরা বলছেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন নয়, বরং একটি গুরুতর সামাজিক অবক্ষয়।
স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘনই নয়, বরং সামাজিক মূল্যবোধেরও অবক্ষয় ঘটাচ্ছে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রতিবাদ।
প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের একটাই আবেদন—দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অপসংস্কৃতি বন্ধ করা হোক।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।
#এম_এস